
চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের মইজ্জ্যারটেক থেকে লোহাগাড়া পর্যন্ত ৬৬ কিলোমিটারে প্রায় ২০ স্থানে যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হয় চালক, যাত্রী ও পথচারীদের। অপরদিকে যানজট কবলে পড়ে সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌছাতে পারছে না দূরপাল্লার যাত্রীরা। শুধু তাই নয় রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়াসহ মহাসড়কের প্রতিটি স্থানে রাস্তার উভয় পাশে মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ লেগুনা, সিএসজি, ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা, মালবাহী ট্রলির ভাসমান ষ্টেশন তৈরি ও ফুটপাত দখল করে অস্থায়ী দোকানপাট বসানোর ফলে যানজট নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

এছাড়াও যত্রতত্র গাড়ি পাকিং ও ট্রাফিক আইন না মানার কারণে যানজটের মধ্যে পড়তে হচ্ছে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, চালক, যাত্রী, পথচারীদের। যানজটমুক্ত করতে যানবাহন নিয়ন্ত্রনে ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যানজটে পড়ে নানা সমস্যার কথা বলছে ভুক্তভোগীরা।

যানজট সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষের নানা চরম ভোগান্তির বিষয়ে নিরাপদ সড়ক চাই লোহাগাড়া শাখার সদস্য সোহাগ মিয়া বলেন ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এসব যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের যানজটমুক্ত করার জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন বলে জানান দক্ষিণ চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী।
এছাড়াও যানজট নিরসনে নিয়মিত মামলা পরিচালনা করার পাশাপাশি সচেতনামূলক কর্মসূচী নিয়ে থাকেন বলে জানান দোহাজারি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম।

এদিকে মহাসড়কের রাস্তার উভয় পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ভাসমান ষ্টেশন, দোকানপাট ও যত্রতত্র গাড়ি পাকিং বন্ধ এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে যানজট নিরসনে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে সাধারণ মানুষ।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুসকান সিকদার ইরা | ফোন : 09638919302 | ই-মেইলঃ aporadhshomachar@gmail.com |
কপিরাইট © 2025 অপরাধ সমাচার ডট কম গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আবেদিত।