কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় ছাদবাগানের দিকে ঝুকছে বাড়ির মালিকরা

প্রকাশিত: ৭:১৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০২৫

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বাজারে ভেজাল ও ফরমালিনযুক্ত ফল ও সবজির ভীড়ে এখন শহরের বিভিন্ন ছাদে ফরমালিনমুক্ত সবজি ও ফলমূল চাষের দিকে ঝুকছে বাড়ির মালিকরা। বিভিন্ন জাতের ফুল, ফল ও সবজির সমারোহ বাড়ির ছাদজুড়ে।দৃষ্টিনন্দন ও মনোমুগ্ধকর বাগানে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন জাতের ফুল, ফল ও সবজি। কৃষিবিভাগের সহযোগিতায় অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন ছাদবাগানে। ছাদ বাগান করার কারণে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে যেমন লাভবান হচ্ছে কৃষক, পাশাপাশি বিষমুক্ত খাবার পাচ্ছে পরিবার।

ছাদবাগানে শোভা পাচেছ দেশি-বিদেশি জাতের বিভিন্ন ফল ও সবজির সমারোহ। ছাদের এক কোণ থেকে অন্য কোণ পর্যন্তবিভিন্ন গাছের সমন্বয়ে এক মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি নির্মল বাতাস, প্রযোজনীয় অক্সিজেন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিরাট ভুমিকা রাখছে এ ছাদবাগান। গাছে গাছে ঝুলে আছে ড্রাগন, মালটা, আনার, পেপে, আপেল কুল, জামরুলসহ বিভিন্ন সবজি ও ফুল।

এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন বনজ ও ঔষধি গাছও। জেলা শহরের নগুয়া এলাকায় নিজবাড়ির ছাদে কিছুটা শখের বশে ছাদবাগান গড়ে তুলেছেন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী দোলন। বাড়ির ছাদেফল-ফুল ও শাক-সবজির বাগান গড়ে তুলে সাড়া ফেলেছেনতিনি । মোহাম্মদ আলী দোলন জানান নিজের পরিবারকে ফরমালিন ও কিটনাশক মুক্ত ফল ও শাকসবজি খাওয়াতে এই উদ্যোগ ।পরিবারের চাহিদা মিটিয়েও প্রতিবেশিদেরকেও বিষমুক্ত এ ফল ও সবজি তুলে দিচ্ছেন। বাজারে বিক্রী করেও অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হচেছন ।বৃক্ষপেমীদের কাছে এই বাড়ীর ছাদবাগানটি এখন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

ছাদে গাছ লাগালে মাটির সঙ্গে গাছের সরাসরি সংযোগ থাকেনা। তাই নিতে হয় একটু বাড়তি যত্ন। পরিবারের সকলে মিলেমিশে গাছের যত্ন নিতে হয়। গাছের যত্নে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে জৈব সার । পাশাপাশি পটাশিয়াম ও ইউরিয়া ইত্যাদিপ্রয়োগ করা হয়।

এবিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়নুল আলম তালুকদার জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় শহরের বিভিন্ন চাষী ও বাড়ির মালিকরা ছাদ বাগানের দিকে ঝুকছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচেছ।