টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুরে নির্বাচনী হাওয়া, সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু প্রকাশিত: ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০২৫ মির্জাপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এবার একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে রাজনৈতিক দলগুলো। সেই সাথে সরকার ও নির্বাচন কমিশনও দেশবাসীকে ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়ার কথা বলছে। অপরদিকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের সময় নির্ধারণের ইঙ্গিত দিয়েছেন অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। যদিও সরকার পতনের পর থেকেই রাজনীতির মাঠে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের মাঝে বেশ আগ্রহ রয়েছে। তবে গত কয়েকমাস ধরে সংসদীয় এলাকায় নির্বাচনী হাওয়া অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্ভ্রাব্য প্রার্থীদের পদচারণায় সংসদীয় এলাকাগুলোতে এখন পুরোদমে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। টাঙ্গাইল জেলার আটটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের পদচারনায় নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নির্বাচনের আমেজ বইতে শুরু করেছে। এর মধ্যে উওরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার টাঙ্গাইল ৭ (মির্জাপুর ) আসনটি দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির হাত ছাড়া হওয়া সেই দুর্গ ফিরে পেতে বিএনপির সম্ভ্রাব্য প্রার্থীরা যখন মরিয়া হয়ে উঠেছেন, ঠিক সেই সময় এ আসনে ভাগ বসাতে গত প্রায় এক বছর পূর্বে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের ১৩৫ নম্বর আসন টাঙ্গাইল -৭ এর নির্বাচনী এলাকার শুধু মির্জাপুর উপজেলায় সম্ভ্রাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন পাঁচজন নেতা। তারা হলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক এমপি,আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসাবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মহসিন হলের সাবেক জিএস, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ- সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব। বাংলাদেশ জাতীয়বাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা কৃষক দলের আহবায়ক দিপু হায়দার খান। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ও মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম খান। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এর সদস্য সচিব ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) সম্মানিত সদস্য সাদেক হোসেন খান। জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে জেলা শিক্ষা বিষয়ক সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল্লাহ তালুকদার প্রচারণা চালাচ্ছেন। বাংলাদেশ গণধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন। খেলাফত মজলিসের জেলার সভাপতি প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এ টি এম রেজাউল করিম আল রাজি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান খান। বিগত নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগ ৭ বার বিএনপি ৪ বার ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী ১ বার জয়লাভ করেছেন। ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৩০ জন। পুরুষ ভোটার১৮৬০৫ জন মহিলা ভোটার ১৮৫২১৯ জন, হিজড়া ভোটার ০৬ জন। বিএনপির পাঁচ জন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় আসনে প্রায় এক বছর পূর্বে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের শিক্ষা বিষয়ক সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল্লাহ তালুকদার দলের মনোনীত প্রার্থী হওয়ায় নিয়মিত তিনি দলীয় কর্মকান্ডের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ আসনে এখন পর্যন্ত এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদসহ অন্য কোনো দলের সম্ভ্রাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা দেখা যায়নি। Download News PhotoCard SHARES নির্বাচনের মাঠ বিষয়: