টাঙ্গাইলে ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তিতে

প্রকাশিত: ১:২৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২৫

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদ নগর ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর চারাবাড়িঘাটে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিগত ২০০৬ সালে ১৭০.৬৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণ করে। আর এই ব্রিজটি নির্মাণের পর থেকেই কয়েকবার পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচে ধসে যায়। সর্বশেষ গত বছরের ১০ জুলাইও ব্রীজের পশ্চিম পাশে অ্যাপ্রোচ ভেঙে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, গুরুত্বপূর্ণ এ ব্রিজ দিয়ে চরাঞ্চলের পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে।

এছাড়া সন্তোষ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শহরের বিশ্ববিদ্যালয়,সরকারী মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ, স্কুলসহ অফিস আদালতে যাতায়াত রয়েছে। যেখানে প্রতিদিন ছাত্র ছাত্রীদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক।

এদিকে চরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, তাঁত শিল্পের কাঁচামাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য আনা-নেওয়া করতে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক, অটোভ্যান, অটোরিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করে থাকে।

পশ্চিমাঞ্চলের ভোটে অনেকেই এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তাদের প্রভাবে এই নদীতে অবৈধ ড্রেজিং করা হয়। ফলে প্রতিবছরই অ্যাপ্রোচ ভেঙে ভোগান্তি পোহাতে হয়। আজ নৌকা দিয়ে মানুষ পারাপার হচ্ছে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। বিএনপি প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ফরহাদ ইকবাল টাঙ্গাইল জেলা জামাতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এবিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়া বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি সহ সবাইকে নিয়ে পরিদর্শন করা হয়েছে।আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া স্থায়ী সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।