ঢাকার পল্লবীতে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা প্রকাশিত: ৯:০৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২৫ অপরাধ সমাচার ডেস্কঃ ঢাকার পল্লবী থানার যুবদলের সংগ্রামী সদস্য সচিব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়াকে সোমবার(১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা মাগরিবের পর একদল সন্ত্রাসী নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু বুঝে ওঠার আগেই হাতে অস্ত্র ও মাথায় হেলমেট পরা সন্ত্রাসীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ঘটনার সময় গোলাম কিবরিয়া একটি স্থানীয় দোকানে প্রবেশ করে দোকানদারকে শাটার নামাতে বলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে একদল সন্ত্রাসী দোকানের ভেতরে ঢুকে তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়ে। মাত্র ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মধ্যে দোকানের ভেতরেই তার নিথর দেহ পড়ে যায়। হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। তবে স্থানীয় জনতা তৎক্ষণাৎ ধাওয়া দিয়ে হামলাকারীদের একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিলে পল্লবী থানা ডিবি ওই ব্যক্তিকে হেফাজতে নেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও দুজন সহযোগীর নাম প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর মতে, গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া একজন সৎ, ভদ্র এবং নির্লোভ ব্যক্তি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অরাজকতার অভিযোগ নেই। তিনি একজন ভালো মানুষ এবং সুপরিচিত রাজনৈতিক নেতা হিসেবে এলাকায় সম্মানিত ছিলেন। এদিকে হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক, সদস্য সচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়, যেখানে দোকানে প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই হামলার আভাস স্পষ্ট দেখা যায়। ভাইরাল ফুটেজকে কেন্দ্র করে অনেকে নানাভাবে মন্তব্য করছেন—কেউ বলছেন এটি দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল, আবার কেউ বলছেন এটি সম্ভবত আওয়ামী লীগপন্থী সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলা। এদিকে পল্লবী থানার ওসি জানান, তারা ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছেন এবং আটক সন্ত্রাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি হামলাকারীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। Download News PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: