ছাত্রদলের সভাপতির নেতৃত্বে গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ প্রকাশিত: ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০২৫ বাঁশখালী(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মোহাম্মদ তারেক নামের এক ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রায় ৩০-৩৫ জন লোক গাছ কেটে ও টিনের বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত তারেক বর্তমানে বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আলিফ মিম নার্সারিতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নার্সারির শতাধিক চারা নষ্ট করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সরওয়ার বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। খবর পেয়ে রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. শরীফের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালীপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শফিক আহমদের পুত্র মো. সরওয়ারের ভিটা, বসতঘর, বাগানবাড়ি ও নার্সারিসহ জায়গাটিতে সকাল ৮টার দিকে একই এলাকার মৃত ফরিদ আহমদের ছেলে আবদুল মালেক ও ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ তারেকের নেতৃত্বে প্রায় ৩০-৩৫ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধরে এলাকায় তাণ্ডব চালায়। ভুক্তভোগী মো. সরওয়ার বলেন, “আমার ভিটা থেকে ৩০টি সুপারি গাছ, ২০টি মেহগনি গাছ ও ১০টি আকাশমণি গাছ কেটে ফেলে দেওয়া হয়। নার্সারিতে থাকা আম, সপেদা, আমড়া, জাম, কাঁঠাল, বরইসহ নানা প্রজাতির কলমকৃত গাছ লুট করে মিনি ট্রাকে তুলে নিয়ে যায়। এ ছাড়া দুটি বীজতলার ছাউনি ও শতাধিক চারা নষ্ট করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেছে। পরে তারা আমার জায়গার পূর্ব ও পশ্চিম সীমানায় এবং বসতভিটার মাঝখানে টিনের বেড়া স্থাপন করে। অভিযোগ প্রসঙ্গে ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ তারেক বলেন, “আমি প্রথম দিকে যাইনি। ওখান থেকে আমাকে একাধিকবার ফোন করার পর গিয়েছি। কিন্তু আমি সংঘাতে জড়াইনি। কারও গাছপালা কাটিনি। ওখানে গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান করেছি। এবিষয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। Download News PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: