শাজাহানপুরে বাবলু সাকিদারের বারভাজি মন কেড়েছে সবার প্রকাশিত: ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০২৫ শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট মোবারক মার্কেটে ঝাল মুড়ি, বারভাজি মাখামাখি বিক্রি করতে ব্যাস্ত বাবলু সাকিদার। তার এই ঝাল মুড়ি, বারভাজি মাখামাখি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ক্রেতাদের মাঝে। আগে শুধু এক পদের ঝাল মুড়ি বিক্রি করলেও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পদের সংখ্যা। স্বাদে এনেছেন ভিন্নতা। যা মন কেড়েছে ছোট বড় সবার। তাই প্রতিদিন বিভিন্ন পদের ঝাল মুড়ি, বারভাজি মাখামাখির স্বাদ নিতে ছুটে আসছেন ক্রেতারা। জানা যায়, ফুলকোট মোবারক মার্কেটের বিদ্যুৎ এর চায়ের স্টলের উত্তর পাশে বাবলু সাকিদারের বারভাজির দোকান। বিশেষ কায়দায় তৈরি দোকানটিতে বাইরের ধুলাবালি ঠেকাতে ব্যবহার করা হয়েছে কাঠের তৈরি র্যাক।তাতে লাগানো হয়েছে সচ্ছ কাঁচ। তার দোকানের ঝাল মুড়ি, বারভাজি মাখামাখি খাওয়ার পাশাপাশি চলে অনেকের আড্ডা। শেষে তৃপ্তি নিয়ে ফেরেন ভোজনরসিকরা। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত ঝালমুড়ি, বারভাজি মাখামাখি বিক্রি করেন ৬০ বছর বয়সী বাবলু সাকিদার। সাথে সহযোগীতা করেন বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে অধ্যায়নরত তার ছেলে মোঃ রাজু মিয়া। তার বিক্রি করা ঝাল মুড়ির পদ গুলোর মধ্যে আছে আলু ঝাল মুড়ি, ছোলা ঝাল মুড়ি,ও ডিম ঝাল মুড়ি।প্রতি প্লেট ১০ টাকা শুরু করে ৩০ /৫০ টাকা ঝালমুড়ি, বারভাজি মাখামাখি পার্সেল করে বিক্রি করেন তিনি। বারভাজি মাখামাখি খেতে আসা রামপুর গ্রামের জনপ্রিয় রেফারি শিক্ষক সোহেল রানা হেলাল জানান,বাবলু সাকিদারের বারভাজি মাখামাখির আলাদা স্বাদ রয়েছে । এটি মুখরোচক খাবার, স্বাদের ভিন্নতার জন্য সুযোগ পেলেই বারভাজি মাখামাখি খেতে আসেন তিনি। মোবারক মার্কেটের অনেক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিদিন কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বাবলু সাকিদারের ঝালমুড়ি, বারভাজি মাখামাখি খাই, বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য নিয়ে যাই,এটা খুব মজাদার। বাবলু সাকিদারের ঝালমুড়ি, বারভাজি মাখামাখি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠার কারণে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন ভীড় জমায় ফুলকোট মোবারক মার্কেটে বাবলু সাকিদারের বারভাজি মাখামাখির দোকানে। Download News PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: