কালাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ঘরেই চলছে পাঠদানঃ আতঙ্কে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা প্রকাশিত: ৫:২৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০২৫ কালাই(জয়পুরহাট)প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার দীঘিরহাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ঘরে চলছে পাঠদান। বৃষ্টির পানি ও বাতাস ঢুকে পড়ছে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে। মাটির দে য়ালগুলো বাঁশের ঠেকনা দিয়ে টিকিয়ে রাখা হয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা রয়েছেন চরম আতঙ্কে। জানা গেছে, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সচেতন ব্যক্তিদের প্রচেষ্টায় ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রান্তিক ও অবহেলিত এলাকার শিশুদের শিক্ষার প্রসার, ঝরে পড়া রোধ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিক্ষার আলো ছড়িয়ে সচেতন সমাজ গড়াই ছিল বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য। বিদ্যালয়টি ২০০০ সালে পাঠদানের অনুমতি লাভ করে এবং নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে ২০১৯ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। মাটির দেয়ালে ফাটল ধরেছে, ছাদ থেকে পানি ঝরছে, ফ্যান ঝুলে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুইটি আক্তার, আফরিন, হাসি আক্তার, বিথি, আরাফাত, মাজেদ, জান্নাতুন রিফাসহ অনেকে বলেন, “বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পানি পড়ে, দেয়ালের ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢোকে। ফ্যান ঝুলে আছে, যেকোনো সময় পড়ে যেতে পারে। অন্য বিদ্যালয়ে যেতে সময় ও খরচ বেশি লাগায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এখানে ক্লাস করি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, “বিদ্যালয়ের মাটির দেয়াল, কাঠ, বাঁশ ও টিনের অবস্থা এতটাই জরাজীর্ণ যে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আমরা সরকারের কাছে দ্রুত একটি নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি। কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহান বলেন, “দীঘিরহাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। আমি ইতিমধ্যে বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়েছি। এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা বিদ্যালয়টির দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকারের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেছেন। Download News PhotoCard SHARES শিক্ষা বিষয়: